১০ নতুনের ওপর নজর থাকবে বিশ্বকাপে

বেজেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের দামামা। চার বছর পর আবার ৫ অক্টোবর শুরু হয়েছে ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর। এবার আয়োজক দেশ ভারত। এখানেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। এ আসরেও রয়েছে সাকিব আল হাসান, বিরাট কোহলি, বেন স্টোকস, বাবর আজম, মিচেল স্টার্ক, শাহীন শাহ আফ্রিদির মতো তারকা খেলোয়াড়রা, যারা কিনা ব্যাটে-বলে মাতাবেন এবারের বিশ্বকাপ মঞ্চ। তবে তাদের মাঝেও ক্রিকেট ভক্তদের নজর থাকবে এবারের আসরে বিভিন্ন দলের হয়ে খেলতে আসা নতুন বেশ কয়েক জন খেলোয়াড়ের ওপর। তেমনি ১০ ক্রিকেটারকে নিয়ে করা আমাদের এই প্রতিবেদন।
নাজমুল হোসেন শান্ত (বাংলাদেশ)
নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৫ বছর বয়সী বাঁহাতি টপ অর্ডার ব্যাটার। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে ফরম্যাটে ২০১৮ সালে অভিষেক হলেও এবারই খেলতে যাচ্ছেন তার ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ। এই ব্যাটার টাইগারদের হয়ে অভিষেকের পর থেকেই ছিলেন অফ ফর্মে। তবে চলতি বছর যেন মাঠে এক অন্য রকমই সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বতর্মানে প্রায় প্রতি ম্যাচেই ব্যাট হাতে নেমে নতুন করে নিজেকে চেনাচ্ছেন তিনি। দিচ্ছেন তার ওপর রাখা নির্বাচক ও গুটিকয়েক ভক্তের রাখা আস্থার প্রতিদানও। চলতি বছর শান্ত এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে ১৪ ম্যাচ খেলে করেছেন ৬৯৮ রান। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি ফিফটি ও দুটি সেঞ্চুরি। যেখানে এর আগে ২০১৮ সালে ওয়ানডেতে অভিষেকের পর ২০২৩-এর আগে কখনো পঞ্চাশোর্ধ্ব রান করেননি শান্ত। সর্বোচ্চ খেলেছিলেন ৩৮ রানের ইনিংস। সম্প্রতি সময়ে যেই ফর্মে রয়েছেন শান্ত তা বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে টেনে আনতে পারলে বলাই যায় যে বিশেষ কিছুই ঘটাতে যাচ্ছেন তরুণ এই ব্যাটার। এ ছাড়া দলের দরকারে হাতও ঘোরাতে পারেন তিনি।
শুবমান গিল (ভারত)
রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির মতো তারকা ব্যাটার রয়েছে ভারতে। ২২ গজে যে তারা কতটা ভয়ংকর তা সকলের জানা। তার ওপর বিশ্বকাপ এবার তাদের ঘরের মাটিতেই হতে যাচ্ছে আয়োজন। তবে স্বাগতিকদের কাছে রয়েছে আরেকটি গোপন অস্ত্র। কিছুকিছু সাবেক ক্রিকেটারের মতে এই জেনারেশনের সেরা ক্রিকেটার হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে এই ক্রিকেটারের মধ্যে। তার নাম শুভমন গিল। বয়স সবে ২৪ বছর। ওয়ানডে ফরম্যাটে ভারতের হয়ে এই ব্যাটারের অভিষেক হয় ২০১৯ সালে। তবে সেবার তার বিশ্বকাপ খেলা হয়নি। মজার বিষয় হচ্ছে ভারতের এই ডানহাতি ব্যাটার অভিষেকের পর থেকেই ব্যাট হাতে রয়েছেন দারুণ ছন্দে। দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৫ ওয়ানডেতে ব্যাট করতে নেমে ৫৫.১০ গড়ে করেছেন ১৯১৭ রান। এর মধ্যে খেলেছেন ছয়টি শতরানের ও ৯ অর্ধশতরানের ইনিংস। আর বিগত ম্যাচগুলোর মতো যদি ব্যাট হাতে ছন্দ ধরে রাখতে পারেন, তাহলে যে বিশাল কিছু ঘটিয়ে ফেলতে পারেন এই ব্যাটার তা অনুমেয়।
তাওহিদ হৃদয় (বাংলাদেশ)
বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্বকাপ ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯। সেই বিশ্বকাপজয়ী বাংলাদেশ দলের সদস্য তাওহিদ হৃদয়। ঐ বিশ্বকাপের তিন বছর পর চলতি বছরই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছে। আর সুযোগ পেয়েই নিজের সবটুকু দিয়ে মেলে ধরেছেন এই ব্যাটার। মিডল অর্ডার এ ব্যাটসম্যানের মেধা ও সক্ষমতায় কৌঁসুলি ব্যাটিংয়ে বিশ্বাস রেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও সমর্থকরা। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হওয়া বিপিএলে দারুণ ব্যাটিং করার পর গেল মার্চে মিরপুরে অনুষ্ঠিত হওয়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় ২২ বছর বয়সী হৃদয়ের। এরপর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলেও সুযোগ পেয়ে যান তিনি। এখন পর্যন্ত ১৭টি ওয়ানডে খেলা ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরিসহ ৩৭.০০ গড়ে ৫১৮ রান করেছেন। ব্যাট হাতে ধারাবাহিক হওয়ায় তাকে নিয়েও রয়েছে সম্ভাবনা, সম্প্রতি সময়ের মতো খেলতে থাকলে টাইগারদের হয়ে দারুণ কিছু করতে দেখা যেতে পারে তাকে।
নূর আহমেদ (আফগানিস্তান)
বিশ্বকাপে যেসব উদীয়মান খেলোয়াড়ের ওপর চোখ থাকবে, নূর আহমেদ তাদের অন্যতম। যিনি এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটারও বটে। সবে ১৮ বছর বয়স চলছে তার। বলের ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ; গতি ও বৈচিত্র্যপূর্ণ বোলিংয়ে নতুনত্ব এনে বিশ্ব ক্রিকেটে নজর কেড়েছেন আফগানিস্তানের বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার এই তরুণ। মাত্র ১৪ বছর বয়সে আফগানিস্তানের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৭ বছর বয়সে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় নূরের। আফগানদের হয়ে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নিজের জাত চেনান চায়নাম্যান এই বোলার। এ ছাড়া গেল বছরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ফরম্যাটে অভিষেক হয় তার। আর প্রথম ম্যাচেই চার ওভার হাত ঘুরিয়েছিলেন, তবে পাননি একটি উইকেটও। এখন পর্যন্ত আফগানদের হয়ে এই খুদে বোলার খেলেছে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ, যেখানে সব মিলে ২১ ওভার বল করে তুলেছেন মাত্র ২ উইকেট। তবে চায়নাম্যান হওয়ায় বিশ্বকাপে রশিদের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকআপ হতে পারেন তিনি।
দুনিত ভেল্লালাগে (শ্রীলঙ্কা)
ভেল্লালাগের বয়স মাত্র ২০ বছর। চোখেমুখে এখনো কৈশোরের ছাপ কাটেনি। তবে ব্যাটে কিংবা বলে এই তরুণ ক্রিকেটার যে মাঠে কতটা ভয়ংকর, তা গেল মাসে অনুষ্ঠিত হওয়া এশিয়া কাপেই দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। গত বছর জুনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ১৫টি ওয়ানডে খেলে ভেল্লালাগে শিকার করেছেন ১৫টি উইকেট। এ ছাড়া শুধু বল হাতে নয়, ব্যাট হাতেও দারুণ প্রদর্শনী করতে পারেন তিনি। এখন পর্যন্ত ১৫ ম্যাচের মধ্যে ১২টি ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি; যাতে ৭৭.৬৮ গড়ে তুলেছেন ১৯৫ রান। এ ছাড়া সবশেষ এশিয়া কাপে তো দারুণ ছন্দে ছিলেন এই তরুণ। আসরের বিজয়ী দল ভারতকে সুপার ফোরের খেলায় একাই কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ঐ ম্যাচের শুরুতে বল করতে নেমে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিসহ আরও তিন ব্যাটারকে নিজের ঝুলিতে ভরে শ্রীলঙ্কার সর্বকনিষ্ঠ বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। পরে ব্যাট হাতেও খেলেছিলেন ক্যারিয়ার সেরা ৪২ রানের অপরাজিত ইনিংস। তাই বলা যায় লঙ্কানদের হয়ে এবারের বিশ্বকাপে দারুণ ভেলকি দেখা যাবে তরুণ এই ক্রিকেটারের কাছ থেকে।
মাথিশা পাথিরানা (শ্রীলঙ্কা)
লঙ্কান আরেক তরুণ বোলার। বয়স কেবল ২০। তবে তার বোলিং অ্যাকশনে রয়েছে তাদের দেশেরই কিংবদন্তি বোলার লাসিথ মালিঙ্গার ছাপ। ২০১৯ বিশ্বকাপ শেষে মালিঙ্গার অবসরের পর থেকে শ্রীলঙ্কা এমন একজন বোলারের সন্ধান করেছে, যিনি কিনা প্রতিপক্ষের উইকেট শিকারে পারদর্শিতা দেখাবেন এবং ব্যাটসম্যানদের একপ্রান্তে আটকে রাখবেন। মালিঙ্গার জায়গায় শ্রীলঙ্কা সম্ভাব্য বোলার হিসেবে মাথিশা পাথিরানাকে খুঁজে পেয়েছে বলে বিশ্বাস অনেকেরই। মালিঙ্গার মতোই স্লিঙ্গিং, ডেলিভারির সময় নিচ থেকে হাত নিয়ে আসা ও ভয়ংকর ইয়র্কারে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করায় দারুণ পটু পাথিরানা। এই কারণে অনেকেই তাকে ‘বেবি মালিঙ্গা’ বলেও ডাকে। গত বছর আইপিএলে অ্যাডাম মিলনের বদলি হিসেবে পাথিরানাকে দলে নেন চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। সুযোগ পেয়েই অভিষেকের প্রথম বলেই শুভমান গিলের উইকেট তুলে নেন পাথিরানা। চলতি বছরের জুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় তার। এখন পর্যন্ত খেলেছেন ১০টি ম্যাচ যাতে শিকার করেছেন ১৫ উইকেট। এবারের বিশ্বকাপে লঙ্কানদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে পারেন এই বেবি মালিঙ্গা।
গাস অ্যাটকিনসন (ইংল্যান্ড)
সবশেষ অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দল ইংল্যান্ড। সেবার ঘরের মাঠে তাদের শিরোপা জয়ে বড় কৌশল ছিল গতিময় বোলিং। ও দলে ছিলেন জফরা আর্চার এবং মার্ক উডের মতো গতিময় বোলার, যারা ধারাবাহিকভাবে ঘণ্টায় ৯০ মাইল গতিতে বোলিং করেছেন। আসন্ন বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলে উড থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি কনুইয়ের ইনজুরি থেকে সুস্থ হতে লড়াই করতে থাকা আর্চারকে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে। আর্চারের বদলি হিসেবে ভাবা হচ্ছে গতির ঝড় তুলে নিজেকে চেনানো গাস অ্যাটকিনসন, বিশ্বকাপ মিশনে তাকে দলে রেখেছে ইংলিশরা। চলতি বছরের শুরুর দিকে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে গত সেপ্টেম্বর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে প্রথম বারের মতো ডাক পান ২৫ বছর বয়সী ডান হাতি এই পেসার। তিন ম্যাচে মাত্র ১টি উইকেট নিলেও ঘণ্টায় ৯৫ মাইল গতিতে বোলিং করেছেন অ্যাটকিনসন।
তেজা নিদামানুরু (নেদারল্যান্ডস)
ভারত আর পাকিস্তান। এই দুই দেশের বেশ কিছু ক্রিকেটার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। মাঝে মাঝে তাদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলতে দেখা যায়। তেমনি একজন নেদারল্যান্ডস বিশ্বকাপ দলে অলরাউন্ডারের ভূমিকায় থাকা তেজা নিদামানুরু। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে জন্ম নেওয়া ২৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের বেড়ে ওঠা নিউজিল্যান্ডে, পরে পাড়ি জমান ডাচদের সঙ্গে। গত বছরের মে মাসে নেদারল্যান্ডসের হয়ে খেলার সুযোগ হয় তার। অভিষেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করেন নিদামানুরু। গত জুনে জিম্বাবুয়ের মাটিতে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭৬ বলে ১১১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে সবাইকে চমকে দেন তিনি। নিদামানুরুর ইনিংসের সুবাদে ঐ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৩৭৪ রান স্পর্শ করে ম্যাচটি টাই করে সুপার ওভারে জয় পায় নেদারল্যান্ডস। বাছাই পর্বে সেরা দুই দলের একটি হয়ে বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পায় নেদারল্যান্ডস। ভারতের অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপেও নিদামানুরুর দিকে তাকিয়ে ডাচরা।
মোহাম্মদ সিরাজ (ভারত)
২৯ বছর বয়সী ভারতের ডানহাতি পেসার মোহাম্মদ সিরাজ। দলের হয়ে ওয়ানডেতে ২০১৯ সালে এই বোলারের অভিষেক ঘটলেও সেবার ছিলেন না ভারতে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে, তাই ঘরের মাটিতে এবার তিনি খেলতে যাচ্ছেন নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ। তবে ১৯ সালে অভিষেক হলেও সিরাজের ভাগ্য খুলেছে ২০২২ সালে এসে। গেল বছর আইপিএলের অন্যতম সেরা বোলার ছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তার মূলত ফ্রন্টলাইনে আসা। এ ছাড়া সবশেষ এশিয়া কাপের ফাইনালে লঙ্কানদের বিপক্ষের ম্যাচে বল হাতে যে আগুন ঝরিয়েছেন সিরাজ তা তো এখনো তাজা স্মৃতি। তার ৬ উইকেট শিকারের কল্যাণেই তো ফাইনালে বড় ব্যবধানে জিতে সর্বোচ্চ অষ্টম বারের মতো এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের কীর্তি এবার গড়েছে ভারত। ম্যান ইন ব্লুদের হয়ে এখন পর্যন্ত ৩০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন তিনি। তার মধ্যে ২৯ খেলায় হাত ঘুরিয়ে শিকার করেছেন ৫৪ উইকেট। সম্প্রতি ফর্ম অনুযায়ী এবারের ঘরের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপে যে এই পেসার প্রতিপক্ষের চোখে সরষে ফুল দেখাবে তা বলাই যায়।
মার্কো জানসেন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ মিশনের দলটা অভিজ্ঞ তারকায় ঠাসাঠাসি। এদের ভেতর রয়েছে এক দারুণ ফাস্ট বোলিং অলরাউন্ডার। যিনি কিনা এবার দলের হয়ে বইবে পতাকাটা। নাম তার মার্কো জানসেন। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিংটাও দুর্দান্ত করেন ২৩ বছর বয়সী এই তরুণ। শেষ দিকে দলের চাহিদা মেটানোর কাজটাও নিপুণ কায়দায় সেরে আসতে পারেন। ভারতের মাটিতে টেম্বা বাভুমার মোক্ষম অস্ত্র হতে পারেন জানসেন। তাতে প্রতিপক্ষ ধরাশায়ী হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। গত বছর ভারতের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছে এই তরুণ ক্রিকেটারের। এখন পর্যন্ত প্রোটিয়াদের হয়ে খেলেছেন ১৪ ওয়ানডে। তার মধ্যে সব কটি ম্যাচে হাত ঘুরিয়ে তুলে নিয়েছেন ১৮ উইকেট। এ ছাড়া ব্যাট হাতে ১১ ম্যাচে সুযোগ পেয়ে করেছেন ২৬৫ রান। বিশ্বকাপে উদীয়মান সূর্যের আলো ছড়াতেই এসেছেন এই ফাস্ট বোলিং অলরাউন্ডার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *