জুড়ী প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের জুড়ী থেকে ৭ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সিলেটের অতিরিক্ত ডিআইজি বরাবর এক আদম ব্যবসায়ী প্রতারণা করে বিদেশ (ওমান) নিয়ে হয়রানির অভিযোগ করেছেন এক নারী। ভুক্তভোগী নারী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের বাবু সিংহ গাঁও গ্রামের হয়রানির স্বীকার ছবুর মিয়ার স্ত্রী। আজ সোমবার(২৫ সেপ্টেম্বর) এক লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বাবুসিংহ গাঁও গ্রামের বাসিন্দা কনা মিয়ার ছেলে ছবুর মিয়া গত ১৫ মার্চ স্থানীয় উত্তর বড় ডহর গ্রামের নিকটাত্মীয় মৃত দছির মিয়ার ছেলে সমছু মিয়ার মাধ্যমে জানতে পারেন একই গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে প্রতারক তাজেল আহমদ এর নিকট বিদেশের(ওমান) ক্লিনার পেশায় কাজ করার একটি ভিসা রয়েছে।তার মাধ্যমে তাজেল আহমদ এর সাথে ভিসার মুল্য দুই লক্ষ নব্বই হাজার টাকা সাব্যস্হ করে ছবুর মিয়া পাসপোর্ট জমা দেন। গত ১৯ এপ্রিল একখানা লিখিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে বিবাদীকে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহেদুর রহমান মুসলিম ও শরফ উদ্দিনের উপস্থিতিতে সমুহ টাকা প্রদান করলে গত ৩ মে যাত্রীকে ওমান পাঠান। সেখানে তাজেল আহমদ এর পুত্র তারেক আহমদ একটি ঘরে আরও ৬/৭ জন বাংলাদেশির মাঝে নিয়ে রাখে। চুক্তি অনুয়ায়ী গত ৫ মাস থেকে ছবুর মিয়া আকামা কিংবা কোম্পানির কোনো কাজ না পেয়ে সেখানে এক ধরণের বন্দি জীবনযাপন করছে। ঠিকমতো খাবার ও পাচ্ছে না। এ দিকে ভিসার টাকা পরিশোধ করতে স্ত্রী রেশমা বেগম বিভিন্ন এনজিও ব্যাংক থেকে নেয়া লোনের কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে ছোট ছোট ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। একদিকে কিস্তির চাপ অন্যদিকে অস্বচ্ছল অসহায় পরিবার নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন রেশমা। রেশমা জানান, আমি একজন মহিলা। এলাকার মানুষের কাছে গত ৫ মাস থেকে ধরণা দিচ্ছি। কোনো সুরাহা হচ্ছেনা। নিরুপায় হয়ে এ অভিযোগ দিয়েছি। ইউপি সদস্য শাহেদুর রহমান মুসলিম জানান, আমরা বার বার বৈঠকে বসে বিষয়টি শেষ করতে পারিনি। মহিলাকে আইনের আশ্রয় নেয়ার কথা বলেছি। এপিবিএন সিলেটের মিডিয়া সেলের এ এস আই শহিদুর রহমান পাবেল অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
You are Here
- Home
- জুড়ীতে স্বামীকে ওমান নিয়ে হয়রানি
