এম আর রাসেল:
বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের মধ্যে যখন অনেকেই ব্যক্তিগত সাফল্যের পেছনে ব্যস্ত, তখন এক তরুণ আলাদা হয়ে উঠেছেন তাঁর ভাবনা, উদ্যোগ ও মানবিক দায়িত্ববোধের মাধ্যমে। তিনি হলেন মুহিবুর রহমান সুহেল, এক স্বপ্নবাজ তরুণ, সমাজসেবায় নিবেদিত একজন উদ্যমী মানুষ। শৈশব থেকেই তিনি সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখতেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর চোখে ছিল সমাজ উন্নয়নের স্বপ্ন, হৃদয়ে ছিল ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ। সময়ের সাথে সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপ পেতে শুরু করেছে তাঁর কর্মের মাধ্যমে। সমাজসেবায় তাঁর পদক্ষেপ মুহিবুর রহমান সুহেল বিশ্বাস করেন, সমাজ পরিবর্তনের মূল শক্তি হলো তরুণরা। তাই তিনি নিজের সময়, পরিশ্রম ও যোগ্যতা সমাজের কল্যাণে ব্যয় করছেন। শিক্ষা, মানবসেবা, সামাজিক সচেতনতা, খেলাধুলা এবং তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি যুক্ত আছেন স্থানীয় বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন ও জনসেবামূলক উদ্যোগের সঙ্গে। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা, পরিবেশ রক্ষা, কিংবা এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। তরুণদের অনুপ্রেরণা তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাঁর ইতিবাচক চিন্তা ও নেতৃত্বগুণ। তিনি সবসময় তরুণ সমাজকে বলেন, “তরুণরাই পারে সমাজ বদলে দিতে, যদি তারা চায় নিজের শক্তি ভালো কাজের জন্য ব্যয় করতে।” তাঁর কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে দেখা যায় এক আত্মবিশ্বাসী, পরিশ্রমী ও উদ্যমী মানুষ, যিনি শুধু নিজের জন্য নয়, বরং সবার জন্য স্বপ্ন দেখেন। শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়ন একসাথে মুহিবুর রহমান সুহেল বিশ্বাস করেন, শিক্ষা ছাড়া সমাজ উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই তিনি এলাকার তরুণদের কারিগরি শিক্ষায় উৎসাহিত করছেন, যাতে তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে ভবিষ্যতে একটি কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্র ও ইনডোর স্পোর্টস সেন্টার স্থাপন, যা তরুণদের দক্ষতা ও শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে। মানবসেবায় নিবেদিত জীবন তিনি মনে করেন, মানবসেবা শুধু একটি কাজ নয়, এটি একটি দায়িত্ব এবং ইবাদত। তাই তিনি যে কোনো সামাজিক বা মানবিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন আন্তরিকভাবে। বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া এবং সমাজে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া, এটাই তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য। শেষ কথা একজন তরুণ হিসেবে মুহিবুর রহমান সুহেল প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছা ও নিষ্ঠা থাকলে সমাজে পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাঁর নেতৃত্ব, চিন্তাশক্তি ও কর্মস্পৃহা নতুন প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল উদাহরণ। সমাজে এমন তরুণ যত বাড়বে, আমাদের ভবিষ্যৎ ততই হবে সুন্দর, আলোকিত ও মানবিক। “আমি স্বপ্ন দেখি এমন এক সমাজের, যেখানে সবাই একে অপরের পাশে থাকবে ভালোবাসা, দায়িত্ব আর মানবতার বন্ধনে।”

