আপনি কি একটু আলসে শটে আউট হয়ে যাচ্ছেন ইদানিং; মাথায় কী কিছু কাজ করছে? লিটন দাস জবাবে বলেছেন, ‘নাহ তেমন কোনো কিছু কাজ করছে না। ’ তার খেলা বরাবরই মুগ্ধ হওয়ার মতো। কেমন একটা কারুকাজ থাকে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও তিনি খেলছিলেন তেমনই এক ইনিংস। কিন্তু ৩ চার ও সমান ছক্কায় ৭১ বলে ৭০ রান করে তিনি আউট হয়েছেন খুবই ‘ক্যাজুয়ালি’। গ্রাহাম হিউমের বলে ফ্লিক করতে গিয়ে ক্যাচ দেন হ্যারি টেক্টরের হাতে। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি। এ নিয়ে কি কোনো আফসোস আছে? এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল লিটনকে।
জবাবে তিনি বলছিলেন, ‘আক্ষেপ না, সেঞ্চুরি করতে পারলে ভালো লাগতো। হয়তো সেঞ্চুুরি না, আরও বড় হতো। কিন্তু এটা পার্ট অব গেম, ঠিক আছে। ’
প্রথম ম্যাচেও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেছেন তাওহিদ হৃদয় ও সাকিব আল হাসান। এ নিয়ে কি দলের মধ্যে কোনো কথা হয়েছে? লিটন বলছিলেন, ‘খেলার সময় তো রেকর্ড নিয়ে কেউ চিন্তা করে না। বিশেষত আমরা কেউ চিন্তা করি না। ম্যাচে আসি ম্যাচ জেতার জন্য, ভালো খেলতে। ’
শুরুর দিকে বাংলাদেশ খুব একটা রান করতে পারেনি। পাওয়ার-প্লের ১০ ওভারে কেবল ৪২ রান তুলে বাংলাদেশ। তবে এই সময়ে উইকেটও হারায়নি স্বাগতিকরা। লিটন বলছেন, শুরুর দিকে কন্ডিশন ছিল খুবই কঠিন।
তিনি বলেছেন, ‘শুরুর দিকে ব্যাটিং করা খুবই কঠিন ছিল। অনেকদিন পর মনে হয় বাংলাদেশে এমন ক্রিকেট খেললাম যেটা ফিল আসছে যে বাইরের দেশে ক্রিকেট খেলছি। তাও আবার এরকম কন্ডিশনে। খুব একটা যে এখন উইন্টার তা না, সামারের ভেতরে এরকম কন্ডিশনে যে বল মুভ করবে। হয়তো একদিন ধরে বৃষ্টি হওয়ার কারণে হয়তো তারা বেনিফিট পেয়েছে। খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। ’ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

