আবেদ রাজার বক্তব্যের কড়া জবাব দিল কুলাউড়া বিএনপি

বিশেষ প্রতিনিধি : জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, বর্তমান আহবায়ক কমিটির সদস্য এডভোকেট আবেদ রাজাকে কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্যে প্রদান করায় তাঁর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছে উপজেলা বিএনপি। রোববার (৭ জুন) উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এমপি জি কে গউছ এমপি, মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনের এমপি আলহাজ¦ শওকতুল ইসলাম শকু, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন পেইজে এডভোকেট আবেদ রাজা কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন মনগড়া বক্তব্য দিয়েছেন যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিগত জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে আবেদ রাজা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত বিভিন্ন নাটক মঞ্চস্থ করে উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দকে নিয়ে নানা বিরুপ মন্তব্য করেছেন। অবশেষে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকুকে যখন দলীয় মনোনয়ন দিয়ে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেওয়া হয় সেদিন থেকেই এড. আবেদ রাজা কুলাউড়া থেকে উধাও হয়ে যান। একজন বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে আবেদ রাজার খ্যাতি থাকলেও তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের দিন পর্যন্ত কুলাউড়াতে আসেননি। উপজেলা বিএনপি, জেলা বিএনপি ও প্রার্থী শওকতুল ইসলাম নিজে বিভিন্ন মাধ্যমে আবেদ রাজার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে নির্বাচনী কাজে সম্পৃক্ত করা যায়নি। বরং তিনি জাতীয় নির্বাচনে দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে দলের পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখেন। কিন্তু তাঁর কর্মী সমর্থকরা অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন মর্মে জনশ্রুতি রয়েছে। বিশেষ করে উল্লেখ করা প্রয়োজন, এডভোকেট আবেদ রাজার নিজ ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাজারের ৩টি ভোট কেন্দ্রে যুগে যুগে ধানের শীষ বিপুল ভোটে জয়লাভ করলেও এইবারই প্রথম ধানের শীষ পরাজিত হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় আবেদ রাজার ইশারা, দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কোন দিকে ছিল?
ইদানীং আমরা আরো লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বিগত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ওয়ার্ড কমিটি, ইউনিয়ন কমিটিতে থেকে যারা দলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে, অন্য প্রার্থীর পক্ষে তারা ভোট প্রদান করেছে, দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আবেদ রাজা সেই সমস্ত বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে দলের মধ্যে বিভাজন বিভ্রান্তি তৈরী করার চেষ্টা করছেন। একজন বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে উপজেলা কমিটির বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাঁর মনগড়া বক্তব্য প্রদান অত্যন্ত দুঃখজনক যা উপজেলা বিএনপিকে হতাশ করেছে। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *