মো : আরিফুর রহমান : সামগ্রিক উন্নয়ন ও সমাজ বিনির্মাণের প্রধান হাতিয়ার হলো শিক্ষা, গবেষণা ও মানবকল্যাণ। যাঁরা নিজেদের মেধা, মনন ও কর্মের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও সামাজিক প্রগতিতে অনন্য অবদান রাখেন, তাঁরাই হন জাতির আলোকবর্তিকা।
তেমনই এক শিক্ষাবিদ ও দক্ষ প্রশাসক প্রাইম ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবদুর রহমান খোকন। তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।
শিক্ষা বিস্তার, প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘দ্যা গ্লোরী অব বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’। তাঁর এই বিরল সম্মাননা কেবল তাঁর ব্যক্তিগত কীর্তি নয়, বরং প্রাইম ইউনিভার্সিটি পরিবারের পাশাপাশি দেশের উপক’লীয় জনপদ বরগুনার বেতাগী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি হিসাবে সকলের জন্য এক ঐতিহাসিক এবং অনন্য গৌরবের স্মারক। বেতাগীর কৃতি সন্তানের এই যুগান্তকারী সাফল্যে প্রেসক্লাবের সকল গণমাধ্যম কর্মিরা আনন্দিত, উদ্বেলিত ও গর্বিত।
শিক্ষাক্ষেত্রে আলোর দিশারী তার জন্মভুমি বেতাগী উপজেলায় সবুজ কানন প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কবি নজরুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমানে প্রাইম ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ও কোষাধ্যক্ষ হিসাবে প্রফেসর ড. আবদুর রহমান দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। ভারত থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
এর আগে বেতাগী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। একজন আদর্শ শিক্ষক ও দূরদর্শী শিক্ষানুরাগী হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা ও নৈতিকতার বিকাশ ঘটাতে তিনি বদ্ধপরিকর। প্রাইম ইউনিভার্সিটির মতো একটি প্রতিষ্ঠানের গুরুদায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সাথে পালন করছেন তিনি।
শিক্ষা, গবেষণা ও সমাজসেবার মতো মহৎ ক্ষেত্রগুলোতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রফেসর ড. আবদুর রহমানকে প্রদান করা হয়েছে ‘দ্যা গ্লোরী অব বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’। এই পুরস্কারটি তাঁর বহুমুখী কর্মদক্ষতা ও আজীবন সাধনার এক যোগ্য রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক মূল্যায়ন। এই অর্জন প্রমাণ করে যে, সততা, নিষ্ঠা ও কর্মের মাধ্যমে সমাজে কীভাবে স্থায়ী এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলা সম্ভব। 


