মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ‘যৌন হেনস্তা’র বিচার দাবি ঋতাভরীর

5
ঋতাভরী চক্রবর্তী

সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীর্ঘ বিবৃতি দেন ঋতাভরী। তাতে অভিনেত্রী লেখেন, “হেমা কমিশনের রিপোর্ট মালয়ালম চলচ্চিত্র জগতের যৌন হেনস্তার ঘটনাগুলোর পর্দা ফাঁস করে দিয়েছে। এই ঘটনা আমাকে ভাবতে বাধ্য করেছে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এমন কোনো পদক্ষেপ কেন নেওয়া হয় না?” অভিনেত্রী লেখেন, ‘একাধিক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। আমার সঙ্গে আমার চেনা পরিচিতর সঙ্গেও এমনটা হয়েছে। নোংরা মন ও ব্যবহার নিয়ে নায়ক/প্রযোজক/পরিচালক দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে। কোনো সমস্যাও হচ্ছে না। আবার আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চেয়ে তাদের মোমবাতি হাতেও দেখা যাচ্ছে।’ নিজের পোস্টের শেষের দিকে মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করেন ঋতাভরী। লেখেন, ‘এই সমস্ত নোংরা মানসিকতার মানুষদের মুখোশ টেনে খুলুন। আমি আমার সহ-অভিনেত্রীদের কাছে আবেদন করছি, এই শয়তানদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। জানি আপনারা হয়তো ভালো চরিত্র হারানোর বা ইন্ডাস্ট্রিতে কোনো দিন কাজ না পাওয়ার ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু আর কত দিন আমাদের চুপ থাকা উচিত? যে সমস্ত তরুণ অভিনেত্রীরা চোখে স্বপ্ন নিয়ে এই কাজে আসেন তাদের প্রতি কি আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই। এই জায়গাটাকে কি তারা সুগার কোটেড ব্রথেল (যৌনপল্লী) ভাববে! মমতা বন্দ্যোপ্যাধায় (দিদি) আমরা এই ধরনের (হেমা কমিটির মতো) তদন্ত চাই, অভিযোগ আর পরিবর্তনের জন্য।’

সম্প্রতি হেমা কমিটির রিপোর্টে দক্ষিণী বিনোদন জগতের একাধিক কাস্টিং কাউচ, যৌন হেনস্তা ও পারিশ্রমিকের বৈষম্যের কথা লেখা রয়েছে। আর এমন পরিস্থিতিতে শ্রীলেখা, মিনু মুনীরসহ একাধিক অভিনেত্রী অভিযোগ জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই অ্যাসোসিয়েশন অব মালয়ালম মুভি আর্টিস্টসের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিযুক্ত পরিচালক রঞ্জিত। রঞ্জিতের কোঝিকোড়ের বাড়িতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি সমর্থকরা। সব বিষয়ের তদন্তের জন্য সিনিয়র নারী পুলিশদের নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *