জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার:
কুলাউড়ার বাজারগুলোতে প্রকারভেদে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।
৪ অক্টোবর শনিবার কুলাউড়া শহরের দক্ষিণবাজার ও উত্তর বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ প্রকারভেদে কেজিতে ৭৫০টাকা থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও আমদানি বন্ধ থাকায় কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তবে দুই একদিনের মধ্যে দাম কিছুটা কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
টানা বৃষ্টি ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারত থেকে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচা মরিচের বাজার বলে ব্যবসায়ীরা জানান, দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক দোকানি কাঁচা মরিচ বিক্রি করছেন না। যারা বিক্রি করছেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় কম পরিমাণে পাইকারি বাজার থেকে কাঁচা মরিচ সংগ্রহ করেছেন।
উত্তর বাজারে সবজি বিক্রেতা আহাদ মিয়া বলেন, পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। এরপর যাতায়াত খরচ তো রয়েছেই। প্রতিদিন ২০থেকে ৩০ কেজি মরিচ আনলেও আজ ২ কেজি মরিচ এনেছি।
দুই একদিনের মধ্যে দাম না কমলে মরিচ বিক্রি বন্ধ করে দেবেন বলেও তিনি জানান।
মাহফুজুর রহমান নামে এক ক্রেতা শনিবার বিকেলে উত্তর বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে এসে জানান, আগে আধা কেজি মরিচ কিনলেও আজ তিনি ৮০ টাকা দিয়ে ১০০ গ্রাম মরিচ কিনেছেন।
তিন দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম প্রায় চারশো টাকা বেড়েছে বলে জানালেন দক্ষিণ বাজারের তরকারি বিক্রেতা সোহেল মিয়া। তিনি বলেন, তিনদিন আগেও ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি করেছি। বুধবার ৪০০ টাকা বিক্রি করলেও আজ পাইকারি বাজারেই কেজিতে দাম বেড়েছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি করে লাভ করা কষ্টকর হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।
এদিকে হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা গেছে। ক্রেতারা বলছেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না। এজন্য বাজারে সরকারের মনিটরিং জোরদার করা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
জানা গেছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। রোববার থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুণরায় চালু হবে।

