ঘুষ দিয়ে পোস্টিং অভিযোগে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার প্রত্যাহার

জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার:

কোটি টাকার ঘুষের বিনিময়ে মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার পদে পোস্টিং পাওয়ার প্রাথমিক সত্যতার অভিযোগে মৌলভীবাজার জেলায় নতুন যোগদান করা পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলামকে ১৫মে শুক্রবার প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ আলী হোসেন ফকিরের পক্ষে পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার মো. রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলামকে পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করে আগামকিাল ১৬ মে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসেই পুলিশের এসপি পর্যায়ে ১২ জন কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়। মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে জেলার এসপি পদে পদায়নের অভিযোগে ঝালকাঠি জেলার পুলিশ সুপার প্রত্যুষকে যোগদান করতে নিষেধ করা হয়। পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ও ফেনী জেলায় পোস্টিং পাওয়া পুলিশ সুপার মাহবুব আলমের পদায়নও বাতিল করা হয়।

এরপরই অভিযোগ ওঠে, আড়াই কোটির চুক্তিতে এসপি হয়েও ঘুষের অর্থ দিচ্ছেন না মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল। গত ৫ মে ১২ জেলার পুলিশ সুপারসহ ৩৯ কর্মকর্তার বদলি করা হয়। এই বদলিতে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। অন্তত একজন এসপির বদলিতে কয়েক কোটি টাকার তথ্য-প্রমাণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

আড়াই কোটি টাকার চুক্তি করে মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে বদলি হন রিয়াজুল ইসলাম। তবে এসপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর টাকা না দিয়ে কাজ করে দেওয়া পক্ষকে ঘোরাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এক পর্যায়ে এসপি রিয়াজুল ইসলাম তার এক আত্মীয়ের অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়োগ পাওয়ার দুই দিন পর, ৭ মে ২০ লাখ টাকা দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। আড়াই কোটির বাকি ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা না দিয়ে নানা তালবাহানা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বুয়েটের সাবেক ছাত্রলীগ ক্যাডার এবং পদধারী নেতা ছাড়াও রিয়াজুলের আরেকটি পরিচয় হলো তিনি বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের আজীবন সদস্য। রিয়াজুলকে কারা নিয়োগ দিলো এবং নিয়োগের পর তাদেরকে কীভাবে পল্টি দিলেন রিয়াজুল—তা নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। সূত্র-নিচে

ঘুষ দিয়ে পোস্টিং অভিযোগে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার প্রত্যাহার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *