সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কুলাউড়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ শিরোনামে শীর্ষক নিউজে বরমচাল ইউনিয়নের তালিকায় সেলিম আহমদের নাম জড়িয়ে প্রকাশিত হওয়া সংবাদের সাথে ভিন্নমত করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বরমচাল ইউনিয়নের দক্ষিণ রাউৎগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মৃত রইছ আলীর ছেলে সেলিম আহমদ। এক প্রতিবাদ লিপিতে তিনি বলেন, আমি একজন প্রকৃত কৃষক। গত বন্যায় আমার ও আমার ভাই শাহি মিয়ার অনেক বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কিন্তু আমি সরকারি সহায়তা চাইনি। সরকারি তালিকায় আমার ভাই শাহিনের নামে বরাদ্দ থাকলেও ওই বরাদ্দকৃত নগদ টাকা ও চাল বরমচাল ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের দরিদ্র ক্ষতিগ্রস্থ বর্গা চাষী আজির আলী ও ফজর আলীকে দেয়া হয়েছে। আজির আলী ও ফজর আলী আমাদের কৃষি জমি বর্গা চাষ করে তাদের পরিবার চালায়। তিনি আরো বলেন, আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলাম। আমার পরিবারের সদস্যরাও প্রবাসে রয়েছেন। বরমচাল ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাসহ উন্নয়নের জন্য সবসময় আর্থিক সহায়তা করে থাকি। এমনকি ইউনিয়নের দরিদ্র মানুষের কল্যাণার্থে আমাদের পরিবার সবসময় পাশে থাকে। এলাকায় আমাদের পরিবারের একটা সুনাম রয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত ওই সংবাদে লেখা হয় শাহিন আহমদ নাছির ও তার ভাই সেলিম আহমদও সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। প্রকৃত অর্থে আমি সেলিম আহমদের নাম ওই সংবাদে আসার কারণে সামাজিকভাবে আমি মর্মাহত হয়েছি। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
সেলিম আহমদ
দক্ষিণ রাউৎগাঁও, বরমচাল ইউনিয়ন, কুলাউড়া।

