ঢাকা: শাহবাগ থানা নিয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধরের ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক এ কমিটি করে দেন। তদন্ত কমিটিকে আগামী দুই দিনের মধ্যে দ্রুত তদন্ত করে ডিএমপি কমিশনার বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। বোরবার (১০ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন তিনি জানান, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশীদকে বদলি করে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) সংযুক্ত করা হয়েছে৷
এছাড়া ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে- ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মো. আবু ইউসুফকে। আর সদস্য করা হয়েছে- অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (নিউমার্কেট জোন) শাহেন শাহ্ ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-মতিঝিল) মো. রফিকুল ইসলাম।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশের রমনা জোনের এডিসি হারুন অপর এক বিসিএস নারী পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈমকে সঙ্গে নিয়ে ওই নারী কর্মকর্তার স্বামী ঘটনাস্থলে গেলে বাগবিতণ্ডা হয়।
পরে এডিসি হারুন শাহবাগ থানা থেকে ফোর্স পাঠিয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে থানায় নিয়ে যান। সেখানে তাদের ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। এতে ছাত্রলীগ নেতা নাইমের সামনের দাঁত পড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতারা।
ঘটনার পরপরই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানার সামনে ভিড় করেন। কিন্তু গেইট বন্ধ থাকায় কেউ ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিম শাহবাগ থানায় যান। আহত মুনিম প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও নাইমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

