বিশেষ প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এই তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়। এ কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগী পরিবারের নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে দশটায় ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাগাজুরা গ্রামের গাজীর বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হলে ওই কার্যক্রম পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়ান আহমদের পরিচালনায় তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাবেক আহবায়ক রেদওয়ান খান, সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া, কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহীদুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রব কাজল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত বুলবুল, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জুবের আহমদ খান, বিএনপি নেতা আব্দুল মতলিব, যুবদল নেতা রাহেল মিয়া প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীরা প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্য সংখ্যা ও আয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই কার্যক্রমে উপকারভোগীরা সঠিক তথ্য দিয়ে তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতা করতে হবে। তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। ফলে এখানে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ থাকবে না এবং পরবর্তীতে প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিরাই এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতাভুক্ত হয়ে সরকারি ভাতা পাবেন।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা বলেন, উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহের জন্য ১৪০ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১৪ জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করবেন। এই কাজের জন্য তথ্য সংগ্রহকারীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও ট্যাব সরবরাহ করা হয়েছে। তন্মধ্যে প্রথম ধাপে উপজেলার সদর, ভূকশিমইল ও শরীফপুর ইউনিয়নের ৩টি ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে ৩ জন সুপারভাইজার ও ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথম দিনে সদর ইউনিয়নের বাগাজুরা গ্রামে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরবর্তীতে প্রত্যেকটি প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ধারাবাহিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।

